রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে। সম্প্রতি তাঁর মেয়র পদ থেকে ইস্তফার খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক অন্দরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে কলকাতা পুরসভার দায়িত্ব সামলানো এই প্রবীণ নেতা হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ফিরহাদ হাকিম, যিনি রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুখ হিসেবে পরিচিত, কলকাতার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক নানা কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে শহরের একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে বলেই দাবি শাসক শিবিরের। তাই তাঁর ইস্তফার খবরে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
যদিও এই ইস্তফার পেছনে নির্দিষ্ট কারণ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবুও রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কিংবা প্রশাসনিক চাপ— দুটোর কোনও একটি বড় কারণ হতে পারে। বিরোধীরাও এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে শাসকদলকে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে।
এদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। কারণ কলকাতা পুরসভার প্রশাসনে ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাঁর সরে দাঁড়ানোয় আগামী দিনে পুর প্রশাসনে কী পরিবর্তন আসতে পারে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন সকলের নজর শাসকদলের পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং ফিরহাদ হাকিমের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের দিকে।
No Comment! Be the first one.